কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ এ ১২:৪০ PM
অর্জনসমূহ
কন্টেন্ট: পাতা
দুধ উৎপাদন : দুধের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিতকল্পে গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, মাননিয়ন্ত্রণ ও সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং দুধ পানের অভ্যাস গড়ে তোলায় সুদূর প্রসারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে দুধের উৎপাদন ছিল ১১৯.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন, যা ২০১০-২০১১ অর্থবছরের তুলনায় ৪ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনপ্রতি প্রাপ্যতা ১৯৩.৩৮মিলি/দিন এ উন্নীত হয়েছে। বিগত দশকে কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, জাত উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং ডেইরি স্টকের সংখ্যাগত উত্থান দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।
মাংস উৎপাদন : সরকারের নীতিগত সহায়তার প্রেক্ষাপটে পোল্ট্রি সেক্টরে অব্যাহত বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিকায়ন ঘটেছে। গত কয়েক বছরে গবাদিপশুর অবৈধ বাণিজ্য রোধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্টকরণের বাণিজ্যিক উদ্যোগ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। ফলস্বরূপ, বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। গত এক দশকে মাংস উৎপাদন ৪.২৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৮৪.৪০ লক্ষ মেট্টিক টনে উন্নীত হয়েছে এবং জনপ্রতি প্রাপ্যতা দাঁড়িয়েছে ১৩৬.১৮ গ্রাম/দিন।
ডিম উৎপাদন : দেশের আবহাওয়া উপযোগী লেয়ার হাঁস-মুরগির জাত উন্নয়ন, গ্র্যান্ড প্যারেন্ট স্টক ও প্যারেন্ট স্টক খামার স্থাপন, বাণিজ্যিক খামার সম্প্রসারণ এবং মানসম্মত পোল্ট্রি খাদ্য উৎপাদনে বিনিয়োগের ফলে ডিম উৎপাদনে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ডিমের উৎপাদন ছিল ২০৫৭.৬৪ কোটি, যা ২০১০-২০১১ অর্থবছরের উৎপাদনের (৬০৭.৮৫ কোটি) তুলনায় ৩.৪ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে ডিমের জনপ্রতি প্রাপ্যতা ১২১.১৮ টি/বছর এ উন্নীত হয়েছে।
গত এক দশকে প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদনের ধারাবাহিকতায়, দেশ বর্তমানে মাংস ও ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশে মাংসের চাহিদা শতভাগ পূরণ করে বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।